Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

গ্রাহকের জ্ঞাতব্য বিষয়

 

@        সান্ধ্য পিক-আওয়ারে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন। আপনার সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ অন্যকে আলো জ্বালাতে সহায়তা করবে।

 

@         বিলম্ব মাশুল ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন এড়াতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন এবং ঝামেলা মুক্ত থেকে বিদ্যুৎ সেবা উপভোগ করুন।

 

@        বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় কল্পে মান সম্মত এনার্জি সেভিং বাল্ব  (CFL) ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করুন।

 

@         টিউব লাইটে Electronic Ballast ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন। বিদ্যুৎ একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই সম্পদের সুষ্ঠু ও পরিমিত ব্যবহারে ভূমিকা রাখুন।

 

@        বৎসরান্তে পবিস হতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হয়ে থাকে।

 

@         মিটার রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব আপনার। এর সঠিক সুষ্ঠু অবস্থা ও সীল সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

 

@         লোড শেডিং সংক্রান্ত তথ্য পবিসের সদর দপ্তর, চকরিয়া/ উখিয়া/টেকনাফ/মহেশখালী/ জোনাল অফিস, সংশ্লিষ্ট এলাকার এরিয়া অফিস/অভিযোগ কেন্দ্র থেকে জানা যাবে।

 

@        বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার থেকে নিজে বিরত থাকুন ও অন্যকে নিবৃত করুন। বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার রোধে আপনার জ্ঞাত তথ্য পবিসের সদর দপ্তর, চকরিয়া/ উখিয়া/ টেকনাফ/ মহেশখালী/ জোনাল অফিসের এক অবস্থানে সেবা/অভিযোগ কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট এলাকার এরিয়া অফিস/অভিযোগ কেন্দ্রে অবহিত করে সহযোগিতা করা আপনার দায়িত্ব।

 

@         ইদানিং একিটি সংঘবদ্ধ চক্র চালু লাইন হতে ট্রান্সফরমার/বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি/তার চুরির সাথে জড়িত। সুতরাং আপনার এলাকার উপরোক্ত চুরি রোধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।

 

@        লাইন হতে ট্রান্সফরমার চুরি হলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদেরকে ৫০% মূল্য পরিশোধ করার বিধান রয়েছে। সেচের ক্ষেত্রে একাধিকবার চুরি হলে ১০০% মূল্য পরিশোধযোগ্য।

গ্রাহক সেবা কেন্দ্র

(এক অবস্থান সেবা)

পবিস সদর দপ্তর, উখিয়া/টেকনাফ/চকরিয়া/মহেশখালী জোনাল অফিসের ‘‘এক অবস্থান সেবা’’ কেন্দ্রে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ বিদ্যুৎ বিভ্রাট/বিল/মিটার/রুট লাইন স্থানান্তর সংক্রান্ত অভিযোগসহ সকল ধরণের অভিযোগ জানানো যাবে এবং এতদ্সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।

নতুন সংযোগ গ্রহণঃ

@         গ্রাহক সেবা কেন্দ্র (এক অবস্থান সেবা) থেকে নতুন সংযোগের আবেদন পত্র পাওয়া যাবে।

@         আবেদন পত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ নির্ধারিত আবেদন ফি পবিসের ক্যাশ কাউন্টারে জমা প্রদান করে জমা রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।

@         সমীক্ষা ফি জমা হওয়ার পর সদস্য সেবা বিভাগ কর্তৃক সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক সমীক্ষা/যাচাই করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্থানীয় উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এক সপ্তাহের মধ্যে কারিগরী সমীক্ষার পর লাইন নির্মাণসহ সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট/প্রাক্কলন ইস্যু করা হয়।

@        ডিপোজিট ওয়ার্কের আওতায় লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমার প্রয়োজন হলে গ্রাহক কর্তৃক তা সরবরাহ করতে হবে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

@        প্রাক্কলন জমা হওয়ার পর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সাধারণত দুই মাসের মধ্যে লাইন নির্মানের পর ও গ্রাহকের নিজ দায়িত্বে অভ্যন্তরীন ওয়্যারিং সম্পন্ন করণের পর তা পরিদর্শন সাপেক্ষ্যে আনুষাঙ্গিক কার্যাদি সম্পন্ন করে গ্রাহকের আঙ্গিনায় মিটার স্থাপন পূর্বক সংযোগ দেয়া হয়।

@         সমীক্ষা ফি সহ আবেদনের পর কোন কারণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভবপর না হলে যথাসম্ভব দ্রুত তার কারণ জানিয়ে আবেদনকারীকে অবহিত করা হবে।

@         সংযোগের পর পরবর্তী মাসের বিলিং সাইকেল অনুযায়ী গ্রাহকের প্রথম মাসের বিল জারি করা হবে।

@         মহা পরিকল্পনার আওতায় লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে অর্থ বৎসরের প্রথম দিকে মাইলেজ ও বাজেট বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষ্যে উপজেলা ও গ্রামওয়ারী নির্মিতব্য লাইনের তালিকা পবিস সদর দপ্তরের নোটিশ বোর্ডে দেয়া হয়।

@         পরবর্তীতে ডিজাইন হওয়ার পর সদস্য হওয়া ও অফিস থেকে প্রযোজ্য ওয়্যারিং মালামাল গ্রহণ সাপেক্ষ্যে লাইন নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়া হয়।

লাইন নির্মানের পর ৭৫% সদস্যের ওয়্যারিং সম্পন্ন হওয়া সাপেক্ষ্যে জামানত গ্রহণ করে মিটার স্থাপন পূর্বক সংযোগ দেয়া

নতুন সংযোগের জন্য দলিলাদি

নতুন সংযোগের জন্য আবেদনপত্রের সাথে নিন্মোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

§         সংযোগ গ্রহণকারীর পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি সত্যায়িত ছবি।

§         জমির মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি।

§         লোড চাহিদার পরিমান।

§         জমি/ ভবনের ভাড়ার (যদি প্রযোজ্য হয়) দলিল।

§         ভাড়ার ক্ষেত্রে মালিকের সম্মতি পত্রের দলিল।

§         পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের বিবরণ ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলেরকপি।

§         অস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে বিবরণ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

§         বৈধ লাইসেন্সধারী  কর্তৃক প্রদত্ত ইন্সটলেশন টেস্ট (ওয়্যারিং) সার্টিফিকেট।

§         ট্রেড লাইসেন্স (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

§         সংযোগ স্থানের নির্দেশক নক্সা।

§         ২কিঃওঃ এর অধিক লোড এর ক্ষেত্রে সরকারী নির্দেশনা মাতাবেক সোলার প্যানেল স্থাপন করিতে হইবে।

§         শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের নিমিত্তে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।

§         পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্লান্ট স্থাপন (শিল্পের ক্ষেত্রে)।

§         সার্ভিস লাইন এর দৈর্ঘ্য ১২০ ফুট এর বেশী হবে না।

§         বহুতল আবাসিক/বাণিজ্যিক ভবন নির্মাতা মালিকের সাথে ফ্ল্যাট মালিকের চুক্তিনামার সত্যায়িত কপি।

শিল্প-কারখানা ও বহুতল ভবনে সংযোগের জন্য গ্রাহকের আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবে।

@         পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র।

@         বন বিভাগের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

@         ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। ১৫০ কেভিএ এর উর্দ্ধে সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবে।

যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বৈদ্যুতিক স্থাপনাসহ শিল্প প্রতিষ্ঠান/কমপ্লেক্স ভবনের নক্সা ও লে-আউট প্লান।

@         সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম।

@         উপকেন্দ্রে স্থাপিত সব যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন ও টেষ্ট রেজাল্ট এবং বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তর থেকে প্রদত্ত উপকেন্দ্র সংক্রান্ত ছাড়পত্র ও স্থাপনাদির ওয়্যারিং সার্টিফিকেট।

নতুন সংযোগের জন্য আবেদন ফি

১। বাড়ি/বানিজ্যিক/দলগত/দাতব্য প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য নিম্নবর্ণিত হারে সমীক্ষা ফি আবেদনের সহিত জমা দিতে হবে।

 (ক) ০১হতে ০৯ জন পর্যন্ত গ্রাহকের ক্ষেত্রে                     : ১০০.০০ টাকা (জন প্রতি)

(খ) ১০ হতে ২০ জন পর্যন্ত গ্রুপ সম্বলিত গ্রাহকের ক্ষেত্রে      : ১৫০০.০০ টাকা (নির্ধারিত)

(গ) ২১ জন ও তদুর্ধ্বে গ্রুপ সম্বলিত গ্রাহকের ক্ষেত্রে       : ২০০০.০০ টাকা (নির্ধারিত)

২। সেচ কার্যে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদনের সহিত ২৫০.০০ (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা মাত্র  সমীক্ষা ফি জমা প্রদান করতে হবে।

৩। ১ নং ও ২ নং এ উল্লেখিত উভয় লোডের জন্য একই অবস্থানে একটি আবেদন পত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমীক্ষা ফি বাবদ সর্বসাকুল্যে ২০০০.০০ (দুই হাজার টাকা) বা প্রয়োজ্য ক্ষেত্রে ১৫০০.০০ (এক হাজার পাঁচশত টাকা) জমা প্রদান করতে হবে।

৪। যে কোন ধরনের অস্থায়ী সংযোগের জন্য ১৫০০.০০ (এক হাজার পাঁচশত) টাকা মাত্র সমীক্ষা ফি জমা প্রদান করতে হবে।

 ৫। বর্ণিত সংযোগ ও শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্য কোন সাময়িক/স্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে ১৫০০.০০  (এক হাজার পাঁচশত) টাকা মাত্র সমীক্ষা ফি জমা প্রদান করতে হবে।

৬। শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য সমীক্ষা ফি ২৫০০.০০ (দুই হাজার পাঁচশত  টাকা) প্রদান করতে হবে।

৭। লোড বৃদ্ধির জন্য সমীক্ষা ফি ০১ হতে ১০কিঃওঃ পর্যন্ত ১০০০.০০ টাকা, ১১ হতে ৪৫ কিঃওঃ পর্যন্ত ২০০০.০০ টাকা। ৪৫ কিঃওঃ এর  উর্ধ্বে ৫০০০.০০ টাকা প্রদান করতে হবে।

নতুন সংযোগের জন্য জামানতের পরিমান

§         সিঙ্গেল ফেইজ (২-তার)২৩০ ভোল্ট আবাসিক, বাণিজ্যিক, সি আই সংযোগের

  ক্ষেত্রে  বৈদ্যুতিক লোড ০.৫ কিঃ ওঃ পর্যন্ত ৫০০/- টাকা ০.৫ কিঃ ওঃ এর উর্ধ্বে  ১ কিঃ

 ওঃ পর্যন্ত ৬০০.০০ টাকা এবং ১ কিঃ ওঃ এর উর্ধ্বে ৫কিঃওঃ পর্যন্ত  প্রথম কিঃ ওঃ

 ৬০০.০০ টাকা ও পরবর্তী প্রতি কিঃওঃ বা তার অংশ বিশেষের জন্য ২০০.০০ টাকা হারে

 জমা দিতে হবে । বাণিজ্যিক  ৫কিঃওঃ এর উর্ধ্বে হলে প্রতি কিঃ ওঃ ৩৮৩২.০০   টাকা।

§         যে কোন ধরণের সেচ সংযোগের জন্য জামানত = মটর অশ্বশক্তি ×মৌসুমের মাস × ১২৫ টাকা

§         যে কোন ধরনের ক্ষুদ্র শিল্প/বৃহৎ শিল্প সংযোগের জন্য প্রতি কিঃ ওয়াট ২৯৬৮.০০ টাকা ও Existing ট্রান্সফরমারের আওতায় সংযোগ হইলে প্রতি কিঃ ওঃ ৫০০০.০০টাকা হারে অতিরিক্ত জামানত  এবং লীজকৃত স্থানে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৫০০.০০/১০০০.০০ টাকা।

 

অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ

 

মেলা, আনন্দ মেলা, নির্মানাধীন সাইট যেমন রাস্তা, ব্রীজ ইত্যাদিতে অস্থায়ী সংযোগ গ্রহণ করতে পারবেন। নির্মানাধীন বাড়ী, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং কমপ্লেক্স এর ক্ষেত্রে অস্থায়ী সংযোগ প্রযোজ্য নয়। অস্থায়ী সংযোগ কখনো স্থায়ী সংযোগে রূপান্তরিত করা যাবে না। এই জাতীয় সংযোগের ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমার, লাইটনিং এরেস্টার, ফিউজ কাট-আউট, মিটার ও মিটার সকেটের মূল্য ব্যতীত সংযোগের জন্য প্রযোজ্য সকল মালামালের তালিকা মূল্যের ১১০%, চাহিত সময়কালের সম্ভাব্য বিদ্যুৎ বিল (শিল্প রেটে), লেবার চার্জ এবং সংযোগ ও বিচ্ছিন্ন করন ফি অগ্রীম প্রদান করতে হবে। অস্থায়ী সংযোগের জন্য আলাদা ট্রান্সফরমার প্রয়োজন হলে ট্রান্সফরমার স্থাপন ও অপসারন খরচসহ ট্রান্সফরমার ভাড়াও অগ্রীম প্রদান করতে হবে। মেয়াদান্তে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর মালামাল ভাল থাকা সাপেক্ষ্যে ব্যবহার যোগ্য। মালামালের ১০০% মূল্য গ্রাহককে ফেরৎ দেয়া হবে।

লোড পরিবর্তন

§         নতুন ভাবে লোড পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে।

§         নতুন চুক্তিপত্র সম্পাদন করে করতে হবে।

§        লোড বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য অনুযায়ী লাইন আপগ্রেডের ব্যয় ও কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে।

বিল সংক্রান্ত অভিযোগঃ

বিল সংক্রান্ত যে কোন অভিযোগ যেমনঃ চলতি মাসের বিল পাওয়া যায় নি, বকেয়া বিল, অতিরিক্ত বিল ইত্যাদির জন্য এক অবস্থান সেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করলে তাৎক্ষনিক সমাধান সম্ভব হলে তা নিস্পত্তি করা হবে। অন্যথায় একটি নিবন্ধন নম্বর দিয়ে পরবর্তী যোগাযোগের সময় জানিয়ে দেয়া হবে এবং পরবর্তী ০৭(সাত) দিনের মধ্যে নিস্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের ধাপঃ

আবেদন--> সমীক্ষা ফি-সমীক্ষা--> বৈদ্যুতিক প্লান--> প্রাক্কলন গ্রহণ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে--> ষ্টেকিং করণ-->চুক্তিপত্র প্রযোজ্য ক্ষেত্রে--> লাইন নির্মাণ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে--> আভ্যন্তরীণ ওয়্যারিং--> ওয়্যারিং পরিদর্শন--> জামানত গ্রহণ--> সিএমও--> সংযোগ প্রদান।

বিল পরিশোধ

পবিস সদর দপ্তর, উখিয়া/টেকনাফ/চকরিয়া/মহেশখালী জোনাল অফিসের ক্যাশ কাউন্টারে অথবা সংশ্লিষ্ট এলাকার নির্ধারিত ব্যাংকে গ্রাহকগণ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

 

বিদ্যুৎ মূল্যহার সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মার্চ ২০১৪ হতে কার্যকর করে বিদ্যুৎ মূল্যহার পূনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। ‍যা নিম্নে প্রদান করা হলঃ

 

ক্রঃ নং

গ্রাহক শ্রেণী

অনুমোদিত খুচরা বিদ্যুৎ মূল্যহার টাকা/কি.ও.ঘ

 

শ্রেণী:এ আবাসিক

লাইফ লাইন   : ১ - ৫০

৩.৮৫

০১

(ক) প্রথম ধাপঃ ১ - ৭৫ ইউনিট

(খ) দ্বিতীয় ধাপঃ ৭৬ - ২০০ ইউনিট

(গ) তৃতীয় ধাপঃ ২০১ - ৩০০ ইউনিট

(ঘ) চতুর্থ ধাপঃ ৩০১ - ৪০০ ইউনিট

(ঙ) পঞ্চম ধাপঃ ৪০১ - ৬০০ ইউনিট

(চ) ষষ্ঠ ধাপঃ ৬০০ ইউনিটের অধিক

৩.৮৭

৫.০১

৫.১৯

৫.৪২

৮.৫১

৯.৯৩

০২

বাণিজ্যিক

(ক) ফ্ল্যাট

(খ) অফ-পীক সময়ে

(গ) পীক সময়ে

 

৯.৫৮

৮.১৬

১১.৮৫

০৩

দাতব্য প্রতিষ্ঠান

৪.৯৮

০৪

সেচ

৩.৬৫

০৫

সাধারণ শিল্প

(ক) ফ্ল্যাট

(খ) অফ-পীক সময়ে

(গ) পীক সময়ে

 

৭.৪২

৬.৬৪

৯.০০

০৬

বৃহৎ শিল্প

(ক) ফ্ল্যাট

(খ) অফ-পীক সময়ে

(গ) পীক সময়ে

 

৭.৩২

৬.৬২

৯.৩৩

০৭

উচ্চ চাপ সাধারণ ব্যবহার (৩৩ কেভি)

(ক) ফ্ল্যাট

(খ) অফ-পীক সময়ে

(গ) পীক সময়ে

 

৭.২০

৬.৫৫

৯.২৮

০৮

শ্রেণী - জেঃ রাস্তার বাতি

৬.৯৩

 

কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহকারী ব্যাংক শাখা সমূহের নাম

 

সদর উপজেলা   

১) এবি ব্যাংক লিঃ, কক্সবাজার শাখা।

২) এন সি সি ব্যাংক লিঃ, কক্সবাজার শাখা।

৩) ইউনাইটেড কর্মার্শিয়াল ব্যাংক লিঃ, কক্সবাজার শাখা।

৪) আই এফ আই সি ব্যাংক লিঃ, কক্সবাজার শাখা।

৫) ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিঃ, কক্সবাজার শাখা।

৬) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বাংলাবাজার শাখা।

৭) রুপালী ব্যাংক লিঃ, ঈদগাঁও শাখা।

৮) ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিঃ, ঈদগাঁও শাখা।

৯) আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিঃ, কক্সবাজার শাখা।

 

মহেশখালী উপজেলা

১) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, গোরকঘাটা শাখা।

২) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বড় মহেশখালী শাখা।

৩) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, হোয়ানক শাখা।

৪) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, কালামার ছড়া শাখা।

৫) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, মাতারবাড়ী শাখা।

 

টেকনাফ উপজেলা 

১) এবি ব্যাংক লিঃ, টেকনাফ শাখা।

২) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, টেকনাফ শাখা।

৩) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, হ্নীলা শাখা।

৪) অগ্রণী ব্যাংক লিঃ, টেকনাফ শাখা।

৫) আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিঃ, টেকনাফ শাখা।

 

উখিয়া উপজেলা  

১) পূবালী ব্যাংক লিঃ, উখিয়া শাখা।

২) রুপালী ব্যাংক লিঃ, কোটবাজার শাখা।

৩) ফার্ষ্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ

৪) অগ্রণী ব্যাংক লিঃ, মরিচ্যা বাজার শাখা।

৫) আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিঃ, উখিয়া শাখা।

 

চকরিয়া উপজেলা 

১) রুপালী ব্যাংক লিঃ, চিরিঙ্গা শাখা।

২) এনসিসি ব্যাংক লিঃ, চকরিয়া শাখা।

৩) ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিঃ, চকরিয়া শাখা।

৪) ফার্ষ্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ, চকরয়া শাখা।

৫) ঢাকা ব্যাংক, চকরিয়া শাখা।

৬) অগ্রণী ব্যাংক লিঃ, খুটাখালী শাখা।

৭) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ডুলাহাজরা শাখা।

৮) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, হারবাং শাখা।

৯) সোনালী ব্যাংক লিঃ, বদরখালী শাখা।

 

রামু উপজেলা    

১) রুপালী ব্যাংক লিঃ, রামু শাখা।

২) জনতা ব্যাংক লিঃ, রামু শাখা।

৩) ফার্ষ্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ, রামু শাখা।

 

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা      

১) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, গর্জনিয়া শাখা।

৭) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, নাইক্ষ্যংছড়ি শাখা।

 

পেকুয়া উপজেলা  

১) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, পেকুয়া শাখা।

২) জনতা ব্যাংক লিঃ, পেকুয়া শাখা।

৩) ফার্ষ্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ, পেকুয়া শাখা।

 

সম্মানিত গ্রাহকগণ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য যে কোন টেলিটক নম্বর থেকে রেজিষ্ট্রেশন করুন

* রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতি     : কাষ্টমার রেজিষ্ট্রেশনের জন্য নিম্নোক্তভাবে SMS করবেন (SMS Charge 15 Taka):

        SMS                                       : Regs<space>SMS Account Number<space>Contact_Number_1<space>Contact_Number_2<space>Customer Name & Send to 727

        Example                                 : Regs 1069015253118 0171xxxxxxx 0155xxxxxxx Imran Hossaing & Send to 727

        Reply Message                       : জনাব ইমরান হোসেন, পল্লী বিদ্যুতের বিল পরিশোধের রেজিষ্ট্রেশনের জন্য আপনার মোবাইল হতে ১৫.০০ টাকা কেটে নেওয়া হবে। আপনার ‍SMS Account Number 1069015253118 Contact Number 0171xxxxxxx 0155xxxxxxx

 

* নামসহ উত্তর পাওয়ার পর রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য টাইপ করুন SMS : Regs<Space>Yes<Space>123498 & Send to 727

        Example                                 : Regs  Yes 123498 & Send to 727

        Reply Message                       : জনাব ইমরান হোসেন, আপনি সফলভাবে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন এবং আপনার আইডি নম্বর ‍ঃ ৭

 

* গ্রাহকগণ স্থায়ীভাবে এই আইডি নম্বর সংরক্ষণ করবেন। বিল নম্বর ছাড়াও শুধু এই আইডি নম্বর ব্যবহার করে বিল পরিশোধ করতে এবং বিল সংক্রান্ত সকল তথ্যও জানতে পারবেন।

গ্রাহকগণ টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে SMS করে নিম্নোক্ত তথ্য পেতে পারেন (SMS Charge Free)যেমন

* প্রতিমাসে বিলের পরিমাণ এবং বিল পরিশোধ সংক্রান্ত তথ্য জানতে নিম্নোক্তভাবে SMS করুন ‍ঃ

    SMS : BS<Space>ID_No<Space>1st three letters of month name <Space> Year & Send to 727

            Example : BS 1 Jan 2012 & Send to 727

 

* কাষ্টমার Contact Number সংযোজন এবং পরিবর্তন করতে চাইলে নিম্নোক্তভাবে SMS করতে পারবেন ‍ঃ

    SMS : RRegs<Space>ID_No<Space>C1 <Space>Contact Number & Send to 727দ্বিতীয় Contact Numberপরিবর্তন এর ক্ষেত্রে মেসেজে C1 এর স্থলে C2 লিখতে হবে।

 

* কাষ্টমার ID Number পূনরায় পেতে চাইলে নিম্নোক্তভাবে SMS করতে পারবেন ‍ঃ

    SMS : ID<Space>SMS Acc. No & Send to 727

            Example : ID 106901112345 & Send to 727

            Reply Message                       : Imran Hossain, Your ID Number is 7.

 

টাকার পরিমান                                     কমিশন হার

০-৩০০ টাকা                                           ৫ টাকা

৩০১-৮০০ টাকা                                       ৮ টাকা

৮০১-১৫০০ টাকা                                      ১৫ টাকা

১৫০১-৩০,০০০ টাকা                                 বিল এর ১%

 
 

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ

পবিস সদর দপ্তর, উখিয়া/টেকনাফ/চকরিয়া/মহেশখালী জোনাল অফিস ও ঈদগাঁও এরিয়া অফিস অথবা সংশ্লিষ্ট এলাকার অভিযোগ কেন্দ্রে আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানানো হলে আপনাকে অভিযোগ নম্বর ও নিষ্পত্তির সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

গ্রাহকের নাম পরিবর্তন পদ্ধতি

 

নির্ধারিত ফি সহ গ্রাহক ক্রয়সূত্রে/ওয়ারিশ সূত্রে/লিজ সূত্রে জায়গা বা প্রতিষ্ঠানের  মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ও প্রযোজ্য জামানত গ্রহণ সাপেক্ষ্যে নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হবে।

অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার মিটারে হস্তক্ষেপ, বাইপাস, বিনা অনুমতিতে সংযোগ গ্রহণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা

বিদ্যুৎ আইনের (Electricity Act. 1910 & As Amended the Electricity Amendent) Act. 2006/৩৯ ধারা অণুসারে এ ক্ষেত্রে নূন্যতম ১ বৎসর হতে ৩ বৎসর পর্যন্ত জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। তাছাড়া অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার/সিষ্টেম হস্তক্ষেপের জন্য জরিমানাসহ Disputed সময়কালের বিদ্যুতের বিল প্রদান করা হবে। এছাড়াও উক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের দ্বারা যদি পবিস এর বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি (যেমন-ট্রান্সফরমার, মিটার ও মিটারিংইউনিট ইত্যাদি) ক্ষতিগ্রস্থ হয় তবে ক্ষতিগ্রস্থ বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, পুনরায় সচল করা গেলে মেরামত খরচ অথবা সম্পূর্ণ ধ্বংস প্রাপ্ত বা পুনরায় সচল করা যাবে না এরূপ সরঞ্জামের জন্য পুনঃ স্থাপনের ব্যয়সহ প্রকৃত মূল্য আদায় করা হবে।

পার্শবসংযোগ

কোন গ্রাহক কোন অবস্থাতেই পার্শ্বসংযোগ প্রদান করতে পারবে না। পার্শ্বসংযোগের আলামত পাওয়া গেলে পবিস এর বিধান মোতাবেক জরিমানা আরোপ ও পার্শ্ব সংযোগের ফলে পবিস এর বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার কোন সরঞ্জমাদি নষ্ট হলে তার ১০০% মূল্যসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিদ্যুতের মূল্যহার সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও পরিবর্তনযোগ্য।

বিষয় ‍ঃ পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমে ব্যবহৃত বিতরণ ট্রান্সফরমার স্থাপন, প্রতিস্থাপন, আপগ্রেডিং ইত্যাদি বিষয়ক নীতিমালা ‍ঃ

০১। ERC:ট্রান্সফরমার স্থাপনের পূর্বেই ERC প্রণয়ন করতে হবে। উক্ত ট্রান্সফরমারের লোড বৃদ্ধি ও পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে ERC এর তথ্যাদি ঐ দিনই আপডেট করতে হবে। বিষয়টি সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম/ইএন্ডসি) নিশ্চিত করবেন। ERC আপডেট এর সময় আপডেট তারিখ উল্লেখ করতে হবে। কোন অবস্থাতেই ERC আপডেট না করে ট্রান্সফরমার পরিবর্তন করা যাবে না।

 

০২। প্রটেকশন ‍ঃবাপবিবোর্ডের বিতরণ সিষ্টেম প্রটেকশনের জন্য ফিউজ কাট-আউট, লাইটিনিং এরিরেষ্টার ও নির্ধারিত মানের ফিউজ লিংক ব্যবহার এবং বাপবিবোর্ডের ষ্ট্যান্ডার্ড/প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রাউন্ডিং স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে।

০৩। সংযোগ ‍ঃ

‍বিবরণ

গ্রাহক শ্রেণী

আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সিআই গ্রাহক

সেচ, শিল্প, টেলিকমিউনিকেশন ও ওয়ার্কশপ গ্রাহক

নতুন সংযোগ

১) প্রকল্পের বিপরীতে নির্মিত লাইনে সার্ভিস ড্রপের আওতায় ১৫ কেভিএ লোড পর্যন্ত গ্রাহকের ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমারসহ অন্য কোন মালামালের মূল্য গ্রহণ করা যাবে না।

২) প্রকল্পের বিপরীতে নির্মিত লইনের সার্ভিস ড্রপের আওতায় ১৫ কেভিএ লোডের উর্দ্ধে একক গ্রাহক সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি কেভিএ টাকা ৫০০০/- হিসেবে ট্রান্সফরমার মূল্য গ্রহণ করতে হব। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সার্ভিস তারের মূল্যও গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সার্ভিস তারের মূল্যও গ্রহণ করতে হবে। অন্য কোন মালামালের মূল্য গ্রহণ করতে হেবে না।

৩) ডিপোজিট ওয়ার্কস এর মাধ্যমে সংযোগ প্রদানের জন্য ১৫ কেভিএ পর্যন্ত লোড বিশিষ্ট একক গ্রাহক সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি স্প্যান হিসেবে লাইনের মূল্য্ গ্রহণ করতে হবে। ট্রান্সফরমারসহ অন্য কোন মালামালের মূল্য গ্রহণ করাযাবে না এবং ১৫ কেভিএ লোডের উর্দ্ধে লোড বিশিষ্ট সকল গ্রাহককে স্প্যান হিসেবে লাইনের মূল্য এবং প্রতি কেভিএ টাকা ৫০০০/- হিসেবে ট্রান্সফরমার মূল্য এবং সার্ভিস তারের মূল্যও গ্রহণ করতে হবে। অন্য কোন মালামালের মূল্য গ্রহণ করতে হবে না।

ঐ লাইন হতে পরবর্তীতে সমিতি লাইন সম্প্রসারণ করতে পারবে।

৪) সর্ভিস ড্রপের আওতায় সংযোগ প্রদানের জন্য বিদ্যমান ট্রান্সফরমার আপগ্রেডিং এর প্রয়োজন হলে ১৫ কেভিএ লোড পর্যন্ত সমিতি কর্তৃক বিনামূল্যে ট্রান্সফরমারসহ সকল মালামাল সরবরাহ করতে হবে।

১) প্রকল্পের বিপরীতে নির্মিত লাইনে প্রকল্প মেয়াদকালীন সময়ে ১৫ কেভিএ লোড পর্যন্ত একক গ্রাহকের ক্ষেত্রে বিনামূল্যে সমিতি কর্তৃক ট্রান্সফরমার ও অন্যান্য মালামাল সরবরাহ করতঃ সংযোগ প্রদান করতে হবে।

২) প্রকল্প মেয়াদ শেষে সার্ভিস ড্রপের ‍আওতায় সংযোগ প্রদানের জন্য প্রতি কেভিএ টাকা ৫০০০/- হিসেবে ট্রান্সফরমার মূল্য গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ‍সার্ভিস তারের মূল্যও গ্রহন করতে হবে। অন্য কোন মালামালের মূল্য গ্রহণ করতে হবে না।

৩) ডিপোজিট ওয়ার্কস এর মাধ্যম সংযোগ প্রদানের জন্য প্রতি স্প্যান হিসেবে লাইনের মূল্য ও প্রতি কেভিএ টাকা ৫০০০/- ‍হিসেবে নতুন/আপগ্রেড ট্রান্সফরমার মূল্য এবং প্রয়োজনীয় সার্ভিস তারের মূল্য গ্রহন করতে হবে। অন্য কোন মালামালের মূল্য গ্রহণ করতে হবে না।

ঐ লাইন হতে পরবর্তীতে সমিতি লাইন সম্প্রসারণ করতে পারবে।

৪) বিদ্যমান ট্রান্সফরমার হতে গ্রাহক সংযোগ প্রদান করা সম্ভব হলে (ট্রান্সফরমার পরিবর্তন প্রয়োজন না হলে) প্রতি কিলোওয়াট লোডের জন্য ৫০০০.00 (পাঁচ হাজার) টাকা হিসেবে নিধারিত ফ্লাট রেটে অফেরৎযোগ্য হিসেবে সমিতিতে জমা দিতে হবে।

 

(১) প্রকল্প বিভাগ কর্তৃক সমিতিতে লাইন হস্থান্তরের পূর্বে ষ্টেকিংভুক্ত সকল গ্রাহককে সংযোগ প্রদানের জন্য সমিতিসমূহকে সর্বাত্বক প্রচেষ্টা গ্রহন করতে হবে। লাইন হস্তান্তরের পর লাইন নির্মাণ/নবায়ন সংশ্লিষ্ট কার্যাদেশ চলমান থাকলে উক্ত কার্যাদেশের মাধ্যমে ট্রান্সফরমার উত্তোলন ও সার্ভিস ড্রপ প্রদান করা যাবে।

(২) সমিতিতে লাইন হস্তান্তরের সময় ষ্টেকিংভুক্ত সকল গ্রাহকের ওয়্যারিংসহ আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পন্ন না হওয়ায় সংযোগ প্রদান করা সম্ভব না হলে পরবর্তিতে সংযোগযোগ্য হলে ষ্টোরে মজুদ থাকা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ট্রান্সফরমার ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য মালামাল সমিতিতে হস্তান্র করতে হবে। সমিতি কর্তৃক উক্ত ট্রান্সফরমার দ্বারা এজবিল্প ষ্টেকিংভুক্ত গ্রাহকদেরকে (অন্য কোন গ্রাহক নহে) সংযোগ প্রদান করবে।

(৩) লাইন হস্তান্তরের সময় প্রকল্প বিভাগ কর্তৃক সকল ট্রান্সফরমার সমিতিতে হস্তান্তর করা সম্ভব না হলে প্রকল্প মেয়াদকালীন সময়ে সাপ্লি-মেন্টারী ষ্টেকিংশীটের মাধ্যমে ষোরে মজুদ থাকা স্বাপেক্ষে ট্রান্সফরমার সমিতিতে প্রদান করতে হবে।

 

মিশ্র গ্রাহকদের সংযোগের ক্ষেত্রে উপরোক্ত নীতিমালার আলোকে প্রযোজ্য গ্রাহকের নিকট হতে চুক্তিবদ্ধ লোডের আনুপাতিক হারে মূল্য আদায় করতে হব।

চুরি যাওয়া

১) ১৫ কেভিএ লোড বিশিষ্ট একক গ্রাহকের ক্ষেত্রে চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনের জন্য প্রতি কেভিএ হিসেবে ট্রান্সফরমার মূল্য প্রথমবার ৫০% ও দ্বিতীয় বা ততোধিকবার ১০০% মূল্যে চুক্তিবদ্ধ লোডের আনুপাতিক হারে পরিশোধ করতে হবে।

২) ১৫ কেভিএ লোডের উর্ধে লোড বিশিষ্ট একক গ্রাহকের ক্ষেত্রে চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনের জন্য প্রতিবার চুরির ক্ষেত্রেই প্রতি কেভিএ হিসেবে ট্রান্সফরমার মূল্য ১০০% মূল্য চুক্তিবদ্ধ লোডের আনুপাতিক হারে পরিশোধ করতে হবে।

১) চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমারের ক্ষেত্রে প্রতিবার চুরির ক্ষেত্রেই প্রতি কেভিএ মূল্য হিসেবে ১০০% মূল্যে চুক্তবদ্ধ লোডের আনুপাতিক হারে পরিশোধ করতে হবে।

সেচ গ্রাহকের সংযোগ বকেয়ার কারণে বিচ্ছিন্ন থাকা অবস্থায় ট্রান্সফরমার চুরি হলে পুনঃসংযোগের সময় মূল্য আদায় প্রয়োজ্য হবে।

মিশ্র গ্রাহকের ক্ষেত্রে চুক্তবদ্ধ লোডের আনাপাতিক হারে প্রযোজ্য হার অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

মিশ্র গ্রাহকের ক্ষেত্রে কোন সংযোগ বিছিন্ন থাকলে চুক্তিবন্ধ লোডের আনুপাতিক হারে আদায়যোগ্য মূল্য ঐ সময়ে আদায় প্রযোজ্য হবে না। তবে পূনঃসংযোগের সময় গ্রাহক/গ্রাহকদেরকে মূল্য পরিশোধপূর্বক পুনঃসংযোগ প্রদান করতে হবে। ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপনের সময় বিচ্ছিন্ন গ্রাহককে পত্রের মাধ্যমে অবহিতপূর্বক গ্রাহক নথিতে রেকর্ডভুক্ত করতে হবে।

পুড়ে যাওয়া

পুড়ে যাওয়া/বিনষ্ট ট্রান্সফরমার পরিবর্তন/মেরামত/প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আপগ্রেড বাবদ কোন অর্থ গ্রাহক কর্তৃক পরিশোধ করতে হবে ন।

যে কোন নীতিমালায় (সমিতি কর্তৃক অফেরৎযোগ্য জামানগ গহণ, বিনামূলে ট্রান্সফরমার সরবরাহ, অন্য সংস্থা হতে অধিগ্রহণকৃত ইত্যাদি) স্থাপিত ট্রান্সফরমার পুড়ে গেলে বা বিনষ্ট হয়ে ব্যবহার/মেরামত অযোগ্য হয়ে গেলে গ্রাহক কর্তৃক নতুন ট্রান্সফরমার সরবরাহ কতে হবে অথবা প্রতি কেভিএ টাকা ৫০০০/- হিসেবে ১০০% মূল্য গ্রহন করে সমিতি ট্রান্সফরমার সরবরাহ করবে। এরুপ মেরামতযোগ্য ট্রান্সফরমার এর ক্ষেত্রে গ্রাহকদের নিকট হতে লো অনুযায়ী মেরামত মূল্য আনুপতিক হারে গ্রহণ করতে হবে। তবে উপরোক্ত ধরণের ট্রান্সফরমারের আওতায় ১৫ কেভিএ লোড পর্যন্ত আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং সিআই গ্রাহক থাকলে তাদের নিকট হতে কোন মূল্য গ্রহণ করা যাবে ন।

 

পূর্বে ট্রান্সফরমার বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়ে থাকলে এবং বর্তমানে তা মেরামত করতে হলে বা ট্রান্সফরমার ব্যাংক এর একটি অথবা দুইটি ট্রান্সফরমার বিনষ্ট হলে তা মেরামতের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বিনষ্ট ট্রান্সফরমারের জন্য বর্তমান নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।

 

মিশ্র গ্রাহকের ক্ষেত্রে ১৫ কেভিএ লোড বিশিষ্ট আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং সিআই গ্রাহকদের নিকট হতে কোন মূল্য গ্রহন করতে হবে না। অন্যান্য গ্রাহকদের ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে প্রতি কেভিএ টাকা ৫০০০/- হিসেবে ট্রান্সফরমারের মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

 

মিশ্র গ্রাহকের ক্ষেত্রে কোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চুক্তিবদ্ধ লোডের আনুপাতিক হারে আদায়যোগ্য মূল্য ঐ সময়ে আদায় প্রয়োজ্য হবে না। তবে পূনঃসংযোগের সময় গ্রাহক/গ্রাহকদের মূল্য পরিশোধপূর্বক পুনঃসংযোগ প্রদান করতে হবে। ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপনের সময় বিচ্ছিন্ন গ্রাহককে পত্রের মাধ্যমে অবহিতপূর্বক গ্রাহক নথিতে রেকর্ডভুক্ত করতে হবে।

 

ওভার লোডেড নিধারনের জন্য সংযোগকৃত গ্রাহকদের বাস্তব লোড ও চুক্তিবদ্ধ লোডের তুলনামূলক পর্যালোচনা অবশ্যই করতে হবে। কোন অবস্থাতেই গ্রাহক সংখ্যার উপর ওভার লোড নির্ধারণ করা যাবে না। উল্লেখ্য, ট্রান্সফরমারের ক্ষমতার ৭৫% লোড বিবেচনায় ডাজাইন করতে হবে। ওভার লোডিং তথ্য গ্রাহক নথিতে রেকর্ডভুক্ত করতে হবে।

 

 

 

 

০৪। একক গ্রাহক ‍ঃ

গ্রাহক সংযোগের ক্ষেত্রে ১৫ কেভিএ লোড পর্যন্ত একক মিটার অথবা সেন্ট্রাল মিটারের আওতাভূক্ত গ্রাহককে বুঝাবে।

০৫। ট্রান্সফরমার মূল্য ‍ঃ

       ক) ট্রান্সফরমার এর মূল্য/কেভিএ পার্থক্যমূল্য প্রতি কেভিএ ৫০০০.০০ (পাঁচ হাজার) টাকা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। উদাহরণ স্বরুপঃ কোন গ্রাহক যদি ৪ কিলোওয়াট লোডের জন্য আবেদন করে সেক্ষেত্রে পাওয়ার ফ্যাক্টর ০.৯৫ বিবেচনায় কেভিএ দাড়ায় ৪,২১ কেভিএ। ট্রান্সফরমার প্রয়োজন হবে ৫ কেভিএ। সেক্ষেত্রে ৫ কেভিএ x ৫০০০.০০ টাকা = ২৫,০০০.০০ টাকা গ্রহণ করতে হবে।

       খ) প্রতি বৎসর এমসিএসএস পরিদপ্তর হতে কেভিএ মূল্য আপডেট করতে হবে।

       গ) গ্রাহকগণ কর্তৃক ট্রান্সফরমার বাবদ জমাকৃত অর্থ সমিতি আলাদাভাবে ট্রান্সফরমার মূল্য খাতে জমা করবে।

       ঘ) ট্রান্সফরমার এর মূল্য/কেভিএ পার্থক্য মূল্য গ্রাহক কর্তৃক প্রদান করা হলে আলাদা কোন অফেরৎযোগ্য জামানত গ্রহন করেত হবে না।

 

০৬। নিরাপত্তা জামানত ‍ঃ

নির্দেশিকা অনুযায়ী নিরাপত্তা জামানত গ্রহণ করতে হবে। সংযোগকৃত গ্রাহকদের লোড বৃদ্ধ হলে নিরাপত্তা জামানত গ্রহণ করতে হবে। পূর্বের লোডের জামানত বহাল থাকবে, শুধুমাত্র অতিরিক্ত ব্যবহৃত/আবেদনকৃত লোডের জন্য বর্তমান হারে জামানত গ্রহন করতে হবে। অর্থাৎ বিদ্যমান লোড যদি ২ কিঃওয়াট লোড বৃদ্ধির আবদেন করে তাহলে আবেদনকৃত ১কিঃওয়াট এর জন্য বর্তমান হারে জামানত নিতে হবে। আন্তঃসমিতি অথবা একই সমিতির গ্রাহক স্থানান্তর হলে বিদ্যমান জামানত বহাল থাকবে। একই লোডে নতুন নিরপত্তা জামানত গ্রহন করতে হবে না।

 

০৭। ট্রান্সফরমার ওয়ারেন্টি ‍ঃসমিতি কর্তৃক গ্রাহক/গ্রাহকদের নিকট হতে মূল্য গ্রহণ সাপেক্ষে ট্রান্সফরমার সরবরাহ/পরিবর্তন/আপগ্রেডেশন করা হলে ০১(এক) বৎসরের ওয়ারেন্টি প্রদান করতে হেবে। অর্থাৎ বিদ্যুতায়নের তারিখ হতে ০১ (এক) বৎসর পর্যন্ত পরিবর্তন/মেরামত সমিতির ব্যয়ে করতে হবে। একইভাবে সরবরাহকারী কর্তৃক সরবরাহকৃত ট্রান্সফরমার এর ওয়ারেন্টি সময়ের মধ্যে উহা নষ্ট হলে তাৎক্ষনিকভাবে বাপবিবোর্ডের নজরে আনাসহ উহা পরিবর্তনের ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

০৮। ট্রান্সফরমার আপগ্রেডিং ‍ঃ

০১) সিষ্টেম উন্নয়নের স্বার্থে ওভার লোডেড ট্রান্সফরমার জরুরী ভিত্তিতে আপগ্রেড করতে হবে। আলাদা সার্কিট নির্মাণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ক্ষমতার ট্রান্সফরমার স্থাপন করে ওভারলোড সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

০২) ১৫কেভিএ লোডের নিচের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সিআই গ্রাহকদের ট্রান্সফরমার বিনামূল্যে আপগ্রেডিং করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নির্দেশিকার আলোকে লোডবৃদ্ধি অনুযায়ী নিরাপত্তা জামানত গ্রহণ করতে হবে।

০৩) ১৫ কেভিএ লোডের উর্দ্ধের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সিআই এবং সেচ, শিল্প, টেলিকমিউনিকেশন, ওয়ার্কশপ গ্রাহকের ক্ষেত্রে প্রতি কেভিএ টাকা ৫০০০/- হিসেবে ট্রান্সফরমার মূল্য গ্রহণ করতে হবে এবং লোড বৃদ্ধি অনুযায়ী নিরাপত্তা জামানত গ্রহন করতে হবে।

০৪) গ্রাহক কর্তৃক ক্রয়কৃত ট্রান্সফরমার আপগ্রেডিং এর প্রয়োজন হলে গ্রাহক কর্তৃক নতুন ট্রান্সফরমার সরবরাহ করতে হবে। এক্ষেত্রে পূর্বের টান্সফরমার গ্রাহক ফেরৎ পাবে।

০৫) প্রয়োজনীয় সাইজের ট্রান্সফরমার সমিতি ষ্টোরে মজুদ থাকলে এবং গ্রাহক আগ্রহী হলে আপগ্রেডতথ্য ট্রান্সফরমারের পার্থর্ক্য প্রতি কেভিএ টাকা ৫০০০/- হিসেবে (ট্রান্সফরমারের মূল্য) সমিতি কর্তৃক গ্রহণ সাপেক্ষে আপগ্রেড সাইজের ট্রান্সফরমার সমিতি হতে সরবরাহ করা যাবে এবং পুরাতন ট্রান্সফরমারটি(গ্রাহক কর্তৃক ক্রয়কৃত)ষ্টোরে টিকেটের আধ্যমে সমিতির ষ্টেরে জাম হবে। এ ক্ষেত্রে অবচয় মূল্য বিবেচিত হবে ন।

 

০৯। আন্ডার লোডেড ট্রান্সফরমার পরিবর্তন ‍ঃ

       ক) সামগ্রিক সিষ্টেমে অনেক ট্রান্সফরমার আন্ডারলোডে আছে। যা জরুরী ভিত্তিতে পরিবর্তন করতে হবে।

       খ) অনেক শিল্প গ্রাহক আছে যাদের চুক্তিবদ্ধ লোড অনুযায়ী ট্রান্সফরমার স্থাপন করা আছে। বাস্তবে গ্রাহক কর্তৃক দীর্ঘদিন চুক্তিবদ্ধ লোডের অনেক কম ব্যবহার করা হচ্ছে, ফলে ট্রান্সফরমার আন্ডার লোডে চলছে। উক্ত ট্রান্সফরমার জরুরী ভিত্তিতে গ্রাহককে ব্যয়ে পরিবর্তন করতে হচে।

       গ) সেচ গ্রাহক সম্ভলিত মিশ্র গ্রাহক সংযোগ সেচ সংযোগ চিচ্ছিন্ন হলে ট্রান্সফরমার আন্ডারলোডেড হয়। সেক্ষেত্রে আন্ডার লোডেড ট্রান্সফরমার পরিবর্তন করে প্রয়োজনীয় ক্ষমতার ট্রান্সফরমার স্থাপন করতে হবে। আন্ডার লোডেড ট্রান্সফরমার অপসারণ ব্যয় সেচ গ্রাহকের নিকট হতে গ্রহন করতে হবে।

১০। শিল্প, সেচ, টেলিকমিউনিকেশন, ওয়ার্কশপ ইত্যাদি গ্রাহকদের সাথে আবাসিক, বানিজ্যিক, সিআই গ্রাহককে ট্রান্সফরমার থেকে সংযোগ প্রদান পরিহারে সচেষ্ট তহে হবে।

১১) সংযোগ স্থানান্তর ‍ঃ

ক) সার্ভিস ড্রপের আওতায় সংযোগ স্থানান্তর হলে বিনামূলে সমিতি স্থানান্তর কাজ করবে। তবে গ্রাহককে বিধি মোতাবেক ওয়্যারিং কার্যাদি সম্পন্ন কেরতে হবে।

খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে পবিস নীতি নির্দেশীকা ৩০০-৩০ অনুযায়ী ‍াবধিবিধান প্রাতপালন সাপেক্ষে সংযোগ স্থানান্তর করতে হবে।

গ) মিশ্র হাককের ক্ষেত্রে সার্ভিস ড্রপের আওতাবহির্ভূক্ত হলে লোডের আনুপাতিক হারে পবিস নীতি নির্দেশিকা ৩০০-৩০ অনুযায়ী বিধিবিধান প্রতিপালন সাপেক্ষে সংযোগ স্থানান্তর করতে হবে।

১২. ট্রান্সফরমার রক্ষণাবেক্ষণ ‍ঃ

ক) ১৫ কেভিএ লোড পর্যন্ত আবাসিক, বানির্জিক ও সিআই শ্রেণীর গ্রাহক কর্তৃক ট্রান্সফরমার অন্য প্রতিষ্ঠান হতে ক্রয় অথবা সমিতির নিকট হতে কয়ের পর নষ্ট হলে গ্রাহকের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সমিতির ওয়ার্কম সমিতিরি ব্যয়ে মেরামত করতে হবে।

খ) ১৫ কেভিএ লোডের উর্দ্ধে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সিআই এবং সেচ, শিল্প, টেলিকমিউনিকেশন, ওয়ার্কশপ গ্রাহকদের ক্ষেত্রে বিনষ্ট্র ট্রান্সফরমার মেরামত ব্যায় গ্রহণ সাপেক্ষে সমিতির ওয়ার্কশপে মেরামত করা যাবে।

গ) ক্রমিক নং ক ও খ উভয় ক্ষেত্রেই গ্রাহক ইচ্ছা করলে নিজ ব্যয়ে বাপবিবো র্নির্ধারিত মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান হতেও ট্রান্সফরমার মেরামত করবে পারবে। তবে পবিস ওয়ার্কশপে টেষ্ট সন্তোষজনক ফলাফল প্রাপ্তি সাপেক্ষে লাইন স্থাপন করা যাবে।

 

১৩। প্রাইমারী মিটারিং ‍ঃ

পৃথক ট্রান্সফরমার স্থাপনের সুযোগ না থাকার কারণে একই ট্রান্সফরমারের আওতায় একাধিকি নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানকালে গ্রাহকের চাহিদাকৃত/বরাদ্দকৃত লোডে বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী এক বা একাধিক গ্রাহকের জন্য প্রাইমারী মিটারিং করা প্রয়োজন হলেও কারিগরী সমস্যার কারণে সেকেন্ডারী/প্রাইমারী উভয় ধরনের মিটার স্থাপন করা সম্ভব হয় না। যে সকল গ্রাহকের চাহিদৃকৃত বা বরাদ্দকৃত লোডের জন্য প্রাইমারী মিটারিং করা প্রয়োজন ছিল কিন্ত কারিগরী সমস্যার কারণে প্রাইমারী মিটারিং করা সম্ভব নয় তাদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কিঃওঃ বা ইউনিটের সাথে ২.৫% হারে ট্রান্সফরমার খাতে লস যোগ করতে হবে।

 

১৪। বহুতল ভবনের বিদ্যুৎ হার (Tariff)

বহুতল ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের জন্য সাব-মিটার ও সেন্ট্রাল মিটার উভয় মিটার স্থাপন করতে হবে। সাব মিটারসমূহের যোগফল এবং সেন্ট্রাল মিটারের রিডিং এর মধ্যে পার্থক্য ইউনিট ফ্ল্য্যাট রেটে (জিপি) বিল করতে হবে।

 

১৫। পুশ পোল ‍ঃ

পুশপোল দ্বারা গ্রাহক সংযোগের ক্ষেত্রে মালামালমূল্যসহ পুশপোল মূল্য ও প্রয়োজ্য ক্ষেত্রে প্রতি স্প্যান হিসেবে মূল্য এবং ট্রান্সফরমার কেভিএ মূল্য গ্রাহক কর্তৃক পরিশোধ করতে হবে।

 

১৬। পাওয়ার ফ্যাক্টর ‍ঃ

প্রযোজ্য গ্রাহকদের পাওয়ার ফ্যাক্টর BERC নির্ধারিত (০.৯৫ হইতে ১.০) সীমার মধ্যে রাখা নিশ্চিত করতে হবে।

 

১৭। মিটার ও মিটার সকেট ‍ঃ

ভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ না হওয়া পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রেই গ্রাহক বিনামূল্যে মিটার ও মিটার সকেট পাবে।

 

১৮। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সমিতি কর্তৃক আবাসিক, বাণির্জ্যক ও সিআই গ্রাহক থেকে ডিপোজিট হিসেবে গ্রহণকৃত অর্থ এবং ট্রান্সফরমার মূল্য/আপগ্রেড মূল্য/মেরামত ব্যয় বাবদ গ্রহণকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট গ্রাহক/গ্রাহকগণ কে ফেরত দিতে হবে না। তবে এই জাতীয় সকল কার্যাদি  ডিসেম্বর’ ২০১৪ এর মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা আছে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার/জেনারেল ম্যানেোর এর উপর দায় বর্তাবে।

 

১৯। এই নীতিমালা জারীর তারিখ হতে এতদসংক্রান্ত বিষয়ে পূর্বে জারীকৃত সকল নীতিমালা বাতিল বলে গণ্য হবে।